ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ , ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজ্বী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল করিম জানুর প্রতিবাদের ব্যাখ্যা ও পাল্টা প্রতিবাদ।


আপডেট সময় : ২০২৫-০৯-২৭ ০০:৪৬:১২
হাজ্বী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল করিম জানুর প্রতিবাদের ব্যাখ্যা ও পাল্টা প্রতিবাদ। হাজ্বী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল করিম জানুর প্রতিবাদের ব্যাখ্যা ও পাল্টা প্রতিবাদ।

​নিজস্ব প্রতিবেদক

নবীগঞ্জউপজেলার করগাঁও ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান হাজ্বী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম, শিরোনামে দৈনিক হবিগঞ্জ পত্রিকায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় কিন্তু এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত ভূয়া শিক্ষক একই পত্রিকাতে নিজেকে বাচাতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু এবিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর কোনো সুযোগ নেই বলে পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও অভিভাবক সহ স্থানীয় অনেকই। 

হাজ্বী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল করিম জানুর প্রতিবাদের ব্যাখ্যা ও পাল্টা প্রতিবাদ। সুত্র:জানা, যায় রিয়াজুল করিমের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐ প্রতিষ্টানের সব শিক্ষক ও কর্মচারীরা ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হাজ্বী আনওয়ার আলী  সাহেবের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন, তখন তিনি বিষটি বিভিন্ন অজুহাতে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও মুক্তি পাননি। 

সংবাদে শিক্ষক তিনি যে প্রতিবাদে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিলেন উনি কিন্তু সহকারী ইংরেজি শিক্ষক এর বেতন পান। উনার ইংরেজি শিক্ষক ইনডেক্স নং (১০৭১৭৬৯) সহকারী প্রধান শিক্ষকের যে বেতন ভাতা আছে তা কিন্তু পান না। একি সাথে উনি দুটি পোস্টে কিভাবে আছেন যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য বলেন, নিজের দোষ অন্য কে কিছুরি পেছাতে চাইতাছেন আমরা এবং কর্তৃপক্ষ যদি ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের আয় বেয় এর সঠিক তদন্ত করি উনি সঠিক কোনো হিসাব দিতে পারবে না অতিথেও দিতে পারেন নি, কোন হিসাবে সংবাদটির প্রতিবাদ জানালেন আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি বলেছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক কিন্তু বাস্তবে তিনি ইংরেজি সাবজেক্টে সহকারী শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন। 

এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানটির নাম প্রকাশ না করা একজন অভিভাবক জানান, শিক্ষক রিয়াজুলের বিরুদ্ধে সিলেট ডিজি অফিসে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে
এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসে পাটানো হয় তদন্তের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার নিজে প্রতিষ্ঠানে এসে সকল কাগজপত্র দেখে অভিযুক্ত শিক্ষকক রিয়াজুল করিম জানুকে অবৈধ নিয়োগ নিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। বর্তমানে জেলা শিক্ষা অফিসার প্রতিবেদন দেওয়ার অপেক্ষায়।



 


নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ